ভূমিকা ১: মহাপ্রলয়ে অস্তগামী সূর্য
মৃত্যু শক্তি থেকে ‘ইন’ গঠিত হয়, এবং সেই ‘ইন’ শক্তি একত্রিত হয়ে একটি সীমানা তৈরি করে। ‘ইন’ রাজ্যের মহাদেশের ঠিক কেন্দ্রে একটি বিশাল চুল্লি দাঁড়িয়ে আছে। চুল্লির ভেতরে, জ্বলন্ত আগুনের শিখার নিচে ফুটন্ত রক্ত অনবরত বুদবুদ করছে। রক্তের মধ্যে ভাসছে বিভিন্ন বিচ্ছিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ এবং দেহের খণ্ডাংশ, যেগুলো কাছ থেকে দেখলে মনে হয় ধীরে ধীরে একাকার হয়ে যাচ্ছে। একদল লোক এর চারপাশে দাঁড়িয়ে আছে; কেউ কেউ কালো বর্মে আবৃত, গম্ভীর ও মর্যাদাপূর্ণ, আবার অন্যরা বাঘ ও চিতার চামড়া পরে আছে এবং বিশাল ধনুক বহন করছে। একেবারে কেন্দ্রে, ছয়জন লোক চুল্লিটিকে ঘিরে বৃত্তাকারে দাঁড়িয়ে আছে। তারা কালো কোট পরে আছে এবং তাদের মাথায় কালো টুপি ঢাকা, যা তাদের মুখমণ্ডল আড়াল করে রেখেছে, কেবল অন্ধকারই অবশিষ্ট। এই ছয়জন লোক তাদের সামনের চুল্লিটির দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে আছে। তাদের মধ্যে একজন মাথা তোলে; যদিও তার মুখ ঢাকা, তার থেকে এক ধরনের মরিয়া দৃষ্টি বিচ্ছুরিত হচ্ছে। ক্রমশ অন্ধকার হয়ে আসা আকাশে, অস্তগামী সূর্যের একফালি অংশ, যা এখনও পুরোপুরি মিলিয়ে যায়নি, ঝুলে আছে; তার রঙ বিকৃত ও রক্ত-লাল, যেন আকাশ এক রক্তপিপাসু হাসি হাসছে। 'দ্য ইন-ইয়াং সেইন্ট এম্পেরর'-এর প্রথম অধ্যায়, যার শিরোনাম 'দ্য লাস্ট সান অফ ডুমসডে', বর্তমানে টাইপ করা হচ্ছে। অনুগ্রহ করে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। আপডেট হয়ে গেলে, সর্বশেষ আপডেট পেতে পৃষ্ঠাটি রিফ্রেশ করুন!